কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানখেত থেকে স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কিশোরী কুমিল্লার স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
গ্রেপ্তার সুমনের বাড়ি কুমিল্লার জয়নগর এলাকায়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের কাছ থেকে একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ ও ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, রাতে জব্দ করা অটোরিকশার মালিক আবুল হাসেমকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অটোরিকশাটি সুমন চালাতেন বলে জানান তিনি। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমনের খালা শাশুড়ি ও বোন জামাইকে আটক করা হয়। তারা জানান, সুমন সাধারণত রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও আশপাশের এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। তার নিজস্ব বাড়ি নেই। তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। তবে কিছুদিন আগে ঘর বিক্রি করে সেখান থেকে চলে যান।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার দিন আগে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় ওই স্কুলশিক্ষার্থী। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে যায় সে। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়।
রাতে কিশোরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন তার বাবা। কিন্তু সে ফোন ধরেনি। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে খবর পেয়ে লালমাই থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন বাবা।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ধানখেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল।
ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক সংস্থা তদন্ত করছে।

