জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ১১৬টিতে ব্যালট পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, বাকি আসনগুলোতে শনিবারের মধ্যে ব্যালট পৌঁছানো সম্ভব হবে। এখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠে, এত বিলম্ব হলো কেন? কয়েকটা জায়গায় প্রার্থীরা আদালতের নির্দেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় ব্যালটটা পরিবর্তন করতে হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হবে। ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী দায়িত্বে মাঠে থাকবেন।
ইইউর সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, স্বাভাবিকভাবে যে চ্যালেঞ্জটা আগাগোড়াই বলে আসছি, সেটা হচ্ছে অপতথ্য, তথ্যের অপপ্রচার। এটা যতটুকু কমানো যায় চেষ্টা চলছে।
অপতথ্য নিয়ে মেটার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ইন্টারনেটের গতি কমাতে বা অন্য কোনো লেটেন্ট পদ্ধতিতে যেতে চাই না। এর পরিবর্তে বরং আমরা ডেরোগেটিভ কমেন্টস বা আক্রমণাত্মক কনটেন্টগুলো বা অপপ্রচার, সেগুলো যেন ডাউন করা হয়, সেটা মেটার কাছে অনুরোধ করেছি।
ইসি সচিব বলেন, বিদেশ থেকে এ পর্যন্ত এক লাখ সাত হাজার ১৬৮টি পোস্টাল ব্যালট দেশের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছে। ইন কান্ট্রি ভোটিং ও আউট অব কান্ট্রি ভোটিং শেষে মোট তিন লাখ ৭৯ হাজার ৯২৪টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশের ডাক বিভাগের কাছে পৌঁছেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ডাকবাক্সে চার লাখ ৪৪ হাজার ৯৫২টি পোস্টাল ব্যালট জমা পড়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ২ লাখ ১১ হাজার ১২২ জন ভোট কমপ্লিট করেছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে।
আখতার আহমেদ আরও জানান, কারাগারে আইনি হেফাজতে থাকা ৬ হাজার ৯১ জন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন।
নির্বাচনী দায়িত্বে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরসের (বিএনসিসি) সদস্যরাও থাকবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

