ফরিদপুরে ‘আসামি ধরতে’ গিয়ে মারধরের শিকার এএসআই

ফরিদপুরের সালথায় গভীর রাতে মাদক মামলার ‘আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে’ স্থানীয়দের মারধরের শিকার হয়েছেন পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান হাসান (৩০)।

আজ শনিবার ভোররাত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে, পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় আহত এএসআই ইমরান রামকান্তপুর ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বরত।

এএসআই ইমরান দাবি করেন, তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত মাদক মামলার আসামি মো. মেহেদী হাসানকে ধরতে ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন।

যদিও মেহেদীর দাবি, তিনি একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হওয়ায় মাঝে মাঝেই বাড়ির বাইরে থাকেন। এই সুযোগে এএসআই ইমরান তার বাড়িতে এসে তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দিতেন। এ সংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

মেহেদী আরও দাবি করেন, গভীর রাতে ইমরান তার ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী হাতেনাতে আটক করে মারধর করেছে।

এ ঘটনায় ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা পোশাকে থাকা এএসআই ইমরানকে মারধর করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, মেহেদীর বাড়িতে যাতায়াতের সূত্রে তার স্ত্রীর সঙ্গে ইমরানের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ‘আসামি ধরতে গেলে মেহেদীর পরিবার ইমরানকে আটক করে মারধর করে।’

‘তবে ইমরান কেন একা এবং সাদা পোশাকে সেখানে গিয়েছিলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে,’ যোগ করেন ওসি।

Related Articles

Latest Posts