ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার। পিঠের ব্যথায় ভুগতে থাকা এই পেসারের শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আপাতত বোলিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে। তবে আসন্ন সিরিজ থেকে এখনো বাদ দেওয়া হয়নি নাহিদকে।
সাইড স্ট্রেইনের চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ, পরবর্তী এশিয়ান গেমস এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান টেস্টেও খেলতে পারেননি নাহিদ। এর আগে জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে সাইড স্ট্রেইনে পড়ার আগে তার পায়ের শিনে মচকানোর সমস্যাও হয়েছিল। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি হিসেবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বোলিংয়ের তীব্রতা বাড়িয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে পিঠে ব্যথা অনুভব করেন এই পেসার।
ব্যথার কারণ অনুসন্ধানে রোববার এভারকেয়ার হাসপাতালে পরীক্ষা করিয়েছেন নাহিদ। তার স্ক্যান করা হয়েছে, এখন সেসব পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করছে বিসিবি। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে তাকে বিদেশেও পাঠানো হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো উদ্বেগের কারণ দেখছেন না বোর্ডের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারকে বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখছি। এর অংশ হিসেবে আজ সে হাসপাতালে গিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত গুরুতর কোনো উদ্বেগের বিষয় পাওয়া যায়নি।’
নাহিদের চোটের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশারের বক্তব্যে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত মিলেছে। রোববার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকে সে পুরোপুরি ছিটকে যায়নি। আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। পরিকল্পনা ছিল ত্রিদেশীয় সিরিজে তাকে খেলানোর, কিন্তু সে সেখানে খেলতে পারবে না।’
হাবিবুল আরও বলেন, ‘তার স্ক্যান করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাকে বিদেশে পাঠানো হতে পারে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। তবে এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা যাচ্ছে না।’
আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দুই টেস্টের সিরিজ।

