পাহাড়ে অপহরণ বন্ধে নতুন দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দুইটা পাহাড় আছে, যেখানে প্রতিনিয়তই অপহরণের ঘটনা ঘটে। সেই জায়গায় রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে দুইটা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।’
‘ক্যাম্পগুলো স্থাপন করা হলে এ ধরনের অপরাধ নির্মূল হবে বলে সবাই একমত,’ বলেন সালাহউদ্দিন।
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে বৈঠক হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি নিয়ে আলাপ হয়েছে।
তিনি জানান, জঙ্গল সলিমপুর এলাকার যে কয়টি মৌজায় সরকারি জমি আছে; পাহাড় শ্রেণি, খাস জমি, সেগুলো সুশাসনের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। ওই এলাকায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্য সেখানে ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। সেখানকার অধিবাসীদের পুনর্বাসনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো আমরা পরিচালনা করব।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানব পাচার ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আনাগোনা থাকে।
দণ্ডবিধিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন কাজ করে। এপিবিএনকে এসব অপরাধ তদন্তের এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ আমাদের ৪০০ এর মতো উপপরিদর্শক পর্যায়ের কর্মকর্তা এপিবিএনে পদায়ন করা আছে।’
‘আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতায় এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন অবশ্যই সম্ভব, এটা আমরা বিশ্বাস করি,’ আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন সালাহউদ্দিন।

