প্রতি সপ্তাহেই ওটিটিতে মুক্তি পাচ্ছে নতুন নতুন সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ। এ কারণেই দর্শকদের নজর এখন ওটিটির পর্দায়। চলতি সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘হইচই’ ও ‘চরকি’তে মুক্তি পেয়েছে নতুন দুই বাংলা কনটেন্ট।
হেডলাইন
সাংবাদিকতার জগৎ ও সত্য অনুসন্ধানের লড়াই নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘হেডলাইন’। গত ২৫ জুন থেকে হইচইয়ে এটি দেখা যাচ্ছে। সালেহ সোবহান অনীমের পরিচালনায় আট পর্বের এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, ইয়াশ রোহান, আফসান আরা বিন্দু, সারিকা সাবরিন, ফারহানা হামিদ, শ্যামল মাওলা, রাই রাজন্যা, অর্নিল বিরল, মনিরুল ইসলাম রুবেল, আমিনুর রহমান মুকুল, এ কে আজাদ সেতু, সাহানা রহমান সুমি, আরিফিন জিলানীসহ আরও অনেকে।
‘হেডলাইন’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে তিন বছর পর অভিনয়ে ফিরলেন আফসান আরা বিন্দু। তাকে দেখা যাচ্ছে ‘আইরিন’ চরিত্রে। অন্যদিকে ‘দোলন’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারিকা সাবরিন।
সিরিজটিতে অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে দেখা যাচ্ছে ‘জহির’ নামের এক সাংবাদিকের চরিত্রে। চরিত্রটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘জহির চরিত্রটির একটা দারুণ গ্রাফ আছে। গল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে তাকে ভিন্ন ভিন্ন রূপে দেখা যায়। কখনো সে খুবই আবেগপ্রবণ, আবার কখনো বাস্তবতার চরম কঠিন মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একজন অভিনেতা হিসেবে এই ধরনের মাল্টিলেয়ারড চরিত্র আমাকে সব সময়ই আকৃষ্ট করে।’
অপূর্ব আরও বলেন, ‘শুধু চরিত্র নয়, “হেডলাইন”–এর গল্পটাও আমাকে ভীষণভাবে টেনেছে। গল্পের গতি, রহস্য এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে এটি নির্মিত হয়েছে।’
লাইফলাইন
দেশীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে গত ২১ জুন মুক্তি পেয়েছে নতুন অরিজিনাল ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। মুক্তির পর থেকেই দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে এই চলচ্চিত্র।
এতে বিদ্যা সিনহা মিম ও রেজওয়ান পারভেজের অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করলেও বিশেষভাবে নজর কেড়েছে আ খ ম হাসানের চরিত্রটি। চলচ্চিত্রে বাবা–মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং গল্পের মূল আবেগের সঙ্গে নিজের জীবনের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যা সিনহা মিম। ফিল্মটিতে মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রবীণ অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ।
‘লাইফলাইন’–এ আরও অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা নূর আয়াত ও ফাতেমাতুজ জোহরা ইভাসহ অনেকেই।
চলচ্চিত্রটির গল্প লিখেছেন মাহমুদুল হাসান টিপু ও কাজী আসাদ। আর চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন আসাদুজ্জামান আবীর ও কাজী আসাদ।

