যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ারে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহার করা একটি বিমানঘাঁটির কাছ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে ব্রিটিশ পুলিশ।
গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়ে পুলিশ বলেছে, কথিত বোমা হামলার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে কোনো বিদেশি শক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এমনটি জানানো হয়েছে।
পাঁচজনকে মুক্তি দেওয়া নিয়ে ওয়াশিংটনে দেওয়া এক বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের মুক্তি দেওয়ায় আমি বিস্মিত।’
‘আমি হলে এমনটি করতাম না’, যোগ করেন তিনি।
গ্রেপ্তার পাঁচজনই ব্রিটিশ নাগরিক, তাদের বয়স ২০-এর কোঠায়। তাদের মুক্তির পরপরই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নাম বিষয়টি সম্পর্কে ‘সুস্পষ্ট ধারণা’ পেতে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
এর আগে, গ্লস্টারশায়ারের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি লক্ষ্য করে যেকোনো ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। গত রোববার ভোরে ওই ঘাঁটিতে নিরাপত্তা সতর্কতা জারির পর তেহরান এই বিবৃতি দেয়।
রোববার বিমানঘাঁটির কাছে তিনটি ‘সন্দেহজনক’ সাদা ভ্যান দেখার খবর পাওয়ার পর থেকেই যুক্তরাজ্যের কাউন্টার-টেরর পুলিশ তদন্তে নামে। উল্লেখ্য, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র এই বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে আসছে।
গ্রেপ্তার ওই পাঁচজনের জামিনে মুক্তির পর কাউন্টার টেররিজম পুলিশিংয়ের প্রধান সহকারী কমিশনার লরেন্স টেলর বলেন, জামিনে মুক্তি পাওয়া মানেই তদন্ত শেষ হয়ে যাওয়া নয়।
তিনি জানান, ওই পাঁচজনের ওপর বেশ কিছু ‘কঠোর’ শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা এবং ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির’ অভিযোগে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
এই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘দারুণ কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

