প্রস্তাবিত ৫ ডিজিটাল ব্যাংককে ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ বা সম্মতিপত্র দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ বৃহস্পতিবার সম্মতি পাওয়ার পর ব্যাংকগুলো অনলাইনভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর প্রাথমিক প্রস্তুতি নিতে পারবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ভুটানের ডিকে ব্যাংকের অর্থায়নে ‘ডিকে ডিজিটাল ব্যাংক লিমিটেড’, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশের ‘বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক’, বাংলালিংকের ‘নোভা ডিজিটাল ব্যাংক’, রবি আজিয়াটার ‘বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক’ এবং টেকনোহাভেনের প্রধান নির্বাহী হাবিবুল্লাহ এন করিমের প্রতিষ্ঠিত ‘কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক’।
গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই ৫ প্রতিষ্ঠানকে এ অনুমতি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, সম্মতিপত্র মানে চূড়ান্ত লাইসেন্স নয়। এর মাধ্যমে কোনো আবেদনকারীকে কার্যক্রম শুরু করার আগে অবকাঠামো নির্মাণসহ যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৩ সালের ১৪ জুন জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য সর্বনিম্ন ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকা বাধ্যতামূলক। ডিজিটাল ব্যাংকগুলো ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে সব ধরনের ব্যাংকিং পরিচালনা করবে। এসব ব্যাংকের শুধু একটি প্রধান কার্যালয় থাকবে, কোনো শাখা কার্যালয় থাকবে না।
এর আগে ৫২টি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পর ২০২৩ সালের অক্টোবরে ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক’ এবং ‘কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক’কে সম্মতিপত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে নগদের লাইসেন্স পুনর্বিবেচনার অধীনে নেওয়া হয়।
দ্বিতীয় দফায় ২০২৫ সালের ২ নভেম্বরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২ প্রতিষ্ঠান আবেদন জমা দেয়। আবেদনকারীদের মধ্যে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বড় শিল্পগোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার কয়েকটিতে বিদেশি অংশীদারও রয়েছে।

