সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সিফাতের জামিন নামঞ্জুর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আটকের পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সিফাত আবদুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক রাকিবুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন— আলী নাছের খান, রাশেদুল ইসলাম রবি ও আসাদুল্লাহ বাদল।

সিফাত আবদুল্লাহর জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান।

আসামিপক্ষের আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি গণমাধ্যমকে বলেন, সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন চেয়েছিলাম। তবে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

তিনি বলেন, সিফাত আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ নিয়ে, জ্বালানিসংকট নিয়ে যে বক্তব্যের কারণে বা গালিগালাজের কারণে আলোচনায় এসেছেন, সে বিষয় এজাহারে নেই। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।

তিনি আরও বলেন, ৪ জুনের একটি মামলায় সিফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, যার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

আইনজীবী আলী নাছের খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সিফাত আব্দুল্লাহ এনসিপির একজন সক্রিয় কর্মী। বিগত সময়ে তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তার আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও রয়েছে। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য।

তিনি আরও বলেন, সিফাতকে বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এটি এক ধরনের নতুন ফ্যাসিবাদের অংশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। আজ তার পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের বাসা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে আটক করে গাছা থানা পুলিশ। পরে রাত ৯টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সিফাত আব্দুল্লাহ রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

Related Articles

Latest Posts