ব্যবহৃত গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ ঘোষণার আড়ালে আমদানি করা বিলাসবহুল ৪ গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
জব্দ গাড়ির মধ্যে রয়েছে দুটি লেক্সাস এবং একটি করে হোন্ডা ও বিএমডব্লিউ। এছাড়া দুটি গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশও জব্দ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের একটি জেটি থেকে এসব গাড়ি জব্দ করা হয় বলে আজ মঙ্গলবার বিকেলে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান।
কর্মকর্তারা বলছেন, জাপান থেকে একটি কনটেইনারে ১৬৭ প্যাকেজে ৮ হাজার ১৮ কেজি পণ্য আমদানি করে ঢাকার ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস। আমদানি ঘোষণায় এগুলোকে ব্যবহৃত মোটরযানের খুচরা যন্ত্রাংশ এবং গিয়ারবক্সসহ ব্যবহৃত পেট্রোল ইঞ্জিন হিসেবে দেখানো হয়।
চালানটি গত ১০ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালেও প্রায় এক মাসেও বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা হয়নি বলে কর্মকর্তারা জানান। নিলামের মাধ্যমে পণ্য খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল—এমন তথ্যের ভিত্তিতে চালানটি পরীক্ষা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন বলেন, গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে নামমাত্র শুল্কে খালাসের চেষ্টা ছিল। গাড়ি হিসেবে আমদানি হলে শুল্কায়ন মূল্যের ওপর সরকারকে ১০৩ শতাংশ থেকে ৬২১ শতাংশ পর্যন্ত রাজস্ব পরিশোধ করতে হতো।
তিনি বলেন, ‘এগুলো সত্যিই গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ, নাকি গাড়ি কেটে বিভিন্ন অংশ হিসেবে আমদানি করে পরে পুনরায় জোড়া লাগানোর পরিকল্পনা ছিল তা বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
চালানটির আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি অর্থপাচারের বিষয়টিও তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

