আবার জ্বলে উঠলেন ইংল্যান্ডের পেসাররা। তাদের তোপে প্রথম ইনিংসে দুইশর নিচে গুটিয়ে যাওয়া পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে করতে পারল না দেড়শও। তিন দিনের মধ্যে হেডিংলি টেস্ট জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংলিশরা।
শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ইনিংস ও ১০৩ রানের বিশাল জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে পাঁচটি করে উইকেট নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের দুই পেসার অলি রবিনসন ও জশ টাং। দ্বিতীয় ইনিংসেও দলটির পেসাররা ভাগাভাগি করেছেন সবকটি উইকেট। টাং ও রবিনসনের পাশাপাশি তিনটি করে শিকার ধরেছেন জোফ্রা আর্চার। বাকিটি গেছে গাস অ্যাটকিনসনের ঝুলিতে।
প্রথম দিনে পাকিস্তান টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অলআউট হয়েছিল ১৭১ রানে। এরপর ইংল্যান্ড ৪০৯ রান তোলে। ফের ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান তৃতীয় দিনের চা বিরতির আগে থামে মাত্র ১৩৫ রানে।
দ্বিতীয় দিনের ৮ উইকেটে ৩৬৬ রান নিয়ে এদিন মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। আরও ৪৩ রান যোগ করায় তাদের মেলে ২৩৮ রানের বিশাল লিড। সেটাই পরে পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায় সফরকারীদের জন্য।
২৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকা আর্চার শুরুতেই বল হাতে আগুন ঝরান। দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও আজান আওয়াইসকে সাজঘরে পাঠান তিনি। এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস ছিল আবদুল্লাহ শফিক ও শান মাসুদের ব্যাটে।
শফিককে ছেঁটে ৩৮ রানের এই জুটি ভাঙেন রবিনসন। এটি ছিল পাকিস্তানের ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটি। এরপর উইকেট পতনের ধারা চলতে থাকে। ফলে মাত্র ৩৭.৩ ওভারে গুঁড়িয়ে যায় দলটি।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর সৌদ শাকিলকে সাজঘরে পাঠানোর পর একই ওভারে মাসুদ ও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সালমান আগাকে ফেরান টাং। আলি উসমান ও খুররম শেহজাদকে বিদায় করেন রবিনসন।
অ্যাটকিনসন মোহাম্মদ রিজওয়ানের লডাই থামানোর পর মোহাম্মদ আব্বাসকে আউট করে পাকিস্তানের দুর্দশার ইতি টানেন আর্চার। রিজওয়ান সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন ৩৯ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে।

