ছেলে বলল, বাবা সবাই তোমার অভিনয়ের প্রশংসা করছেন: জাহিদ হাসান

নব্বই দশক থেকে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু জাহিদ হাসানের। অভিনয়ের জাদু দিয়ে কোটি দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন, একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

গতকাল শুক্রবার রাতে জাহিদ হাসান অভিনীত ‘পথহারা মন’ নাটকটি প্রচার হয়েছে সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে। মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত এই নাটকে তিনি অভিনয় করেছেন একজন বাবার চরিত্রে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ চরিত্রে তার অভিনয়ের প্রশংসা করে অসংখ্য মানুষ ইতিবাচক মন্তব্য করছেন।

এ বিষয়ে জাহিদ হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমার পরিবারের বাইরে কাছের মানুষ হচ্ছে সাংবাদিক ভাই-বোন, অভিনয় জগতের মানুষ ও দর্শকরা। দর্শকরা ভীষণ আপন। তাদের জন্যই আমি। যারা দেখেছেন তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফোন করেছেন, ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন। সবার ভালো লাগাটাই আসল। আমিও অনেক খুশি। সবাই অভিনয় নিয়ে প্রশংসা করছেন, নাটকের গল্প পছন্দ করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিচালককে ধন্যবাদ দিতে চাই। রাজ একটি ভালো গল্প নিয়ে নাটকটি বানিয়েছেন। দর্শকরা এই গল্পের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে গেছেন। রাজের সাথে আমার বহু বছরের সম্পর্ক। আগেও একসাথে কাজ করেছি। এইবার পথহারা মন নাটকের গল্প ও চরিত্র শেয়ার করার আমি বলি, তোর সাথে আছি। রাজ বলেছেন, ভাই সাথে থাকেন।’

জাহিদ হাসানের একমাত্র ছেলে পূর্ণ। সবার প্রশংসা শুনে পূর্ণের নাটকটি দেখার আগ্রহ জন্মেছে বলে জানান এ তারকা।

জাহিদ হাসান বলেন, ‘পূর্ণ যখন বলেছে নাটকটি দেখতে হবে। তখন আমার ভালো লেগেছে। কেননা, ছেলের কাছেও নাটক নিয়ে খবর চলে গেছে। তার মানে দাঁড়াচ্ছে, ভালো কাজে প্রশংসা ও ভালোবাসা পাওয়া যায়।’

কী ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমি অভিনয় করতে চাই, কিন্তু গল্প ও চরিত্র পছন্দ হতে হবে। পথহারা মন নাটকে বাবা চরিত্রটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। সারাজীবন অভিনয়ই করেছি। সবচেয়ে ভালোবাসি অভিনয়। কিন্তু আমাকে সেইরকম গল্প দিতে হবে, সেইরকম চরিত্র দিতে হবে।’

দর্শকদের ভালোবাসা প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, ‘দর্শকদের ভালোবাসা অনেক পেয়েছি। দর্শকরা আমাকে ভালোবাসেন। আমিও তাদের ভালোবাসি, সম্মান করি। যখনই কোনো ভালো গল্পে, ভালো চরিত্রে অভিনয় করি, তাদের ভালোবাসা আমাকে আপ্লুত করে। পথহারা মন নাটকটি দেখে অনেক দর্শক কেঁদেছেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

এই নাটকের সহশিল্পীদের নিয়ে তিনি বলেন, ‘তটিনী ও খায়রুল বাসার ভালো করেছেন। দীপা তার জায়গায় সুন্দর করেছেন। মনিরা মিঠু ও ডা. এজাজ ভাই নিজেদের চরিত্রে ভালো করেছেন। সত্যি কথা বলতে, রান্না করতে গেলে যেমন অনেক কিছুর দরকার পড়ে, একটি নাটকেও একজন শিল্পী দিয়ে হয় না, অনেক শিল্পীর প্রয়োজন। সবাই মিলেই কাজটি সুন্দর হয়।’

নাটকটি নিয়ে জাহিদ হাসান আরও বলেন, ‘শুরুতে মনে হয়েছে আমি অল্প কিছু দৃশ্যে অভিনয় করেছি। কিন্তু পথহারা মন নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রটি আমার। বাবার চরিত্রটিই এখানে প্রধান। বাবাকে ঘিরেই এতকিছু। এমন একটি চরিত্র পেয়ে ভীষণ ভালো লেগেছে।’

Related Articles

Latest Posts