স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থিতার সুযোগ দিতে চায় না ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আইন সংশোধনে একগুচ্ছ সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেগুলো শিগগির স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১২তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ইসির সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি ও ঋণের জামানতদারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা এবং লাভজনক পদে (অফিস অব প্রফিট) থাকা ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে না দেওয়ার বিধান যুক্ত করা।

এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রতি ১৫ বছর পর নির্ধারিত ফি দিয়ে নবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে ১৫ বছরের কম বয়সীদেরও এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। তবে এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসি।

আখতার আহমেদ বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনি ব্যাপার। আমরা প্রস্তাব পাঠাবো স্থানীয় সরকার বিভাগকে। তারা যদি আমাদেরটা উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে তারা সেভাবে ব্যবস্থা নেবেন। আইন চূড়ান্ত করার এখতিয়ার আমাদের নেই। আইনের কিছু প্রস্তাবনা আমরা সুপারিশ করছি। চূড়ান্ত করার দায়িত্ব তো স্থানীয় সরকার বিভাগের।

‘একইসঙ্গে এসব সুপারিশের আলোকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধিও সংশোধন করা হবে’, বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন-সংক্রান্ত সব আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্ত করার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, সবগুলো আইনে সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যেভাবে আরপিওতে আছে।

নির্বাচনের তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে, জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচনের শিডিউল যেদিন হবে, পাঁচ মিনিটের মধ্যে আপনাদের জানাবো। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলমান।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইউনিয়ন পরিষদ নাকি সিটি করপোরেশন দিয়ে শুরু হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের আজকের আলোচনায় বিষয়টি ছিল না। এ ব্যাপারে কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি।

 

Related Articles

Latest Posts