লিটন-তাইজুলের জুটিতে প্রতিরোধ

লাঞ্চের পর ফিরে আচমকা নামে ধস। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিদায়ে এলোমেলো হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলের চরম বিপদে এরপর হাল ধরেন লিটন দাস। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েছেন তিনি।

সিলেট টেস্টের চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬৮ রান। এই সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৭ রান যোগ করেছে স্বাগতিকরা। যার ৫১ রানই এসেছে লিটন-তাইজুলের জুটিতে।

১১৬ রানে ৬ উইকেট পড়ার পর জুটি গড়েন তারা। তাইজুলকে একপাশে রেখে এরপর রান বাড়িয়েছেন লিটন। ৫২ রানের জুটির ৪০ রানই এসেছে তার ব্যাটে। ৭৭ বলে ৪২ করে ক্রিজে আছেন বাংলাদেশের কিপার ব্যাটার। ১১ রান করে ক্রিজে তাইজুল।

প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারালেও প্রতিরোধ গড়েছিলেন শান্ত ও মুশফিক। রানও আসছিল ভালো গতিতে। তবে লাঞ্চের পর বদলে গেল খেলা। রানের গতি থমকে যাওয়ার সঙ্গে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে স্বাগতিক দল।

দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ঘণ্টায় ১৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান তুলে পড়ে ৩ উইকেট। ৩ উইকেটে ১০১ থেকে ১১৬ রানে পড়ে যায় ৬ উইকেট।

লাঞ্চের পর পরই আউট হয়ে ফিরতে পারতেন মুশফিকুর রহিম। অফ স্পিনার সাজিদ খানের বলে কট বিহাইন্ড হলেও মাঠে আম্পায়ার তাকে আউট দেননি, পাকিস্তানও রিভিউ না নেওয়ায় ১৮ রানে বেঁচে যান তিনি। অবশ্য জীবনটা কাজে লাগেনি। মুশফিক বিদায় নেন আর স্রেফ ৫ রান যোগ করে। খুররমের বলে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে পায়ে লাগান, এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত রিভিউ নিয়েও বাঁচাতে পারেননি।

তার আগেই আব্বাস ফিরিয়ে দিয়েছিলেন শান্তকে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বেরিয়ে যাওয়া বল মারবেন নাকি ছাড়বেন দ্বিধায় থেকে ব্যাট পেতে দেন। বল তার ব্যাট ছুঁয়ে আশ্রয় নেয় মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে। আগের টেস্টে সেঞ্চুরি ও ফিফটি করা শান্ত থামেন ২৯ রানে।

মেহেদী হাসান মিরাজ নেমে দেন আত্মাহুতি। খুররমের লেগ স্টাম্পের বাইরের বাউন্সারে পুলের মতো করতে গিয়ে লোপ্পা ক্যাচ দেন ফাইন লেগে। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরের সময়টায় তাইজুলকে বেশিরভাগ সময় নন স্ট্রাইকে রেখে রান এনেছেন লিটন। অনেকগুলো সিঙ্গেলের সুযোগ ফিরিয়ে পরিস্থিতির দাবি মিটিয়েছেন তিনি। অবশ্য ৩৩ রানে একবার সুযোগ দিয়েছিলেন। সাজিদের বল এগিয়ে এসে তীব্র গতিতে মারা শট হাতে লাগালেও ধরার উপায় ছিলো না পাকিস্তানি অফ স্পিনারের। 

 

Related Articles

Latest Posts