মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানের চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানি ও মার্কিন কারিগরি দলের বৈঠক হবে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা নাকচ করেছে ইরান।
আজ সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
তারা জানিয়েছে, এ সপ্তাহে এমন কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উপসাগরীয় অঞ্চলে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা তাদের নাজুক যুদ্ধবিরতিকে নতুন করে চাপে ফেলেছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, ‘এই সপ্তাহে ওয়ার্কিং গ্রুপগুলোর কোনো কারিগরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।’
তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সপ্তাহ শুক্রবার শেষ হয়।
এর আগে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ নিরসনে তেহরান ও ওয়াশিংটন মঙ্গলবার কাতারে বৈঠকে বসবে।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনও একই ধরনের তথ্য প্রকাশ করে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় কাতার ও পাকিস্তান যৌথভাবে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সর্বশেষ আলোচনা ২১ জুন সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে চারটি দেশের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
ইরানের বিপরীত উপকূলে অবস্থিত উপসাগরীয় দেশ কাতার আলোচনার আর্থিক দিকগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের কিছু সম্পদ সেখানে দীর্ঘদিন ধরে জব্দ রয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সোমবার বলেন, ওই অর্থ ছাড় করার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাতে তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, কাতারে থাকা মোট ১২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড় করা হবে এবং তা দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।’

