মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তি চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ অবস্থান করছে।
এই চুক্তি সইয়ের জন্য পাকিস্তান সফরের বিষয়টি বিবেচনা করার কথাও জানান তিনি।
বার্তাসংস্থা এএফপির খবরে এমনটি বলা হয়েছে।
গতকাল হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তেহরান তাদের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছে।
বর্তমানে দেশ দুটি ইসলামাবাদে পরবর্তী আলোচনার বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে।
লাস ভেগাস সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করার খুব কাছাকাছি পর্যায়ে আছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হতো, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে… তারা এই বিষয়ে পুরোপুরি একমত হয়েছে। তারা প্রায় সব বিষয়েই রাজি হয়েছে; তাই তারা এখন আলোচনার টেবিলে বসলে পরিস্থিতির বড় পরিবর্তন হতে পারে।
চুক্তি সইয়ের জন্য তিনি পাকিস্তানে যাবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প যোগ করেন, আমি যেতে পারি, হ্যাঁ। যদি চুক্তিটি ইসলামাবাদে সই হয়, তবে আমি হয়তো সেখানে যাব।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে সহায়তা করায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গত সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর সফল না হলেও হোয়াইট হাউস সেখানে দ্বিতীয় দফা আলোচনার পরিকল্পনা করছে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, চুক্তির প্রধান শর্ত অনুযায়ী ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায় এই ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ বা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করা হলে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা কমবে।
সম্ভাব্য এই চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।

