মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে যে জ্বালানি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে, তা পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।
আজ শুক্রবার সুইস পত্রিকা নয়েই জুরশার জাইতুংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংস্থাটির প্রধান ফাতিহ বিরোল বলেন, এই পুনরুদ্ধারের সময়সীমা দেশভেদে ভিন্ন হবে।
তিনি বলেন, ‘এটি দেশভেদে আলাদা হবে। উদাহরণ হিসেবে ইরাকে সময় লাগবে সৌদি আরবের তুলনায় অনেক বেশি। তবে সামগ্রিকভাবে আমরা ধারণা করছি, যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরতে প্রায় দুই বছর সময় লাগবে।’
বিরোল আরও সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকার প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।
তার মতে, ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে যেসব তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ গন্তব্যের পথে ছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে পৌঁছে যাওয়ায় সরবরাহ সংকটের প্রাথমিক ধাক্কা কিছুটা কমে গেছে।
তবে তিনি বলেন, ‘মার্চ মাসে কোনো নতুন ট্যাংকারে তেল বা গ্যাস তোলা হয়নি। ফলে এশিয়ার বাজারে নতুন করে তেল, গ্যাস বা জ্বালানি সরবরাহ হয়নি। এখন সেই ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।’
তিনি সতর্ক করেন, যদি হরমুজ প্রণালী দ্রুত পুনরায় চালু না করা হয়, তাহলে বিশ্বকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি জ্বালানি মূল্যের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
জরুরি তেল মজুত থেকে আবার সরবরাহ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিরোল জানান, আইইএ প্রয়োজনে দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছাইনি, তবে বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় রয়েছে।’

