দীর্ঘ ৫ মাসেরও বেশি সময় (১৬৮ দিন) পর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী অভিভাবক পেল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে কাজ শুরু করেছে তিন সদস্যের নতুন দুদক কমিশন।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে নতুন কমিশনের সদস্যরা সকাল ৯টার কিছু পর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পৌঁছান। এসময় দুদক সচিব সাইদুর রহমান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন—সাবেক সচিব জাহাঙ্গীর আলম খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে নতুন কমিশনের সদস্যরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজ নিজ যোগদানের কাগজপত্র জমা দেন। তবে সেদিন তারা দুদকের কার্যালয়ে যাননি।
দুদক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর নতুন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে দুদকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি পরিচিতি ও পর্যালোচনা বৈঠক শুরু হয়। সেখানে কর্মকর্তারা কমিশনের চলমান বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে তাদের বিস্তারিত জানাবেন।
বিশেষ করে ঝুলে থাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, চলমান অনুসন্ধান ও তদন্তের অগ্রগতি, আদালতে বিচারাধীন গুরুত্বপূর্ণ মামলা এবং সংস্থার বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আইনি বিষয় সম্পর্কে নতুন কমিশনকে জানানো হবে।
আগের কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবর আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. হাফিজ আহসান ফরিদ গত ৩ মার্চ একযোগে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে দীর্ঘ ১৬৮ দিন কোনো কমিশন ছাড়াই স্থবির হয়ে পড়েছিল দুদকের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম।

