ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের প্রথম দিনের বৈঠক শেষ হয়েছে। আলোচনায় মতবিরোধের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে ছিল হরমুজ প্রণালি।
শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থানরত প্রতিনিধিদের বরাতে তাসনিম জানায়, আলোচনায় একটি যৌথ কাঠামোতে পৌঁছাতে লিখিত বার্তা বিনিময় করেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে হরমুজ প্রণালির বিষয়টি গুরুতর মতবিরোধের মধ্যে থাকা অন্যতম ইস্যু।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধবিরতি আলোচনার প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। উভয়পক্ষ লিখিত বার্তা বিনিময় করছে, যেন ইসলামাবাদে হওয়া সমঝোতাগুলোতে তারা একই অবস্থানে আছে কি না, তা নিশ্চিত করা যায়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এটি প্রথম সরাসরি আলোচনা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানায়, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইসলামাবাদে থাকা ইরানি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের কাছে তেহরানের ১০ দফা প্রস্তাবের অধীনে তাদের শর্তগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেছে।
ইসলামাবাদে ইরানি আলোচক দলের অংশ হিসেবে থাকা বাঘাই সাংবাদিকদের বলেন, ইরান শুরু থেকেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বাস্তব হতে হবে এবং শব্দের প্রকৃত অর্থে তা বাস্তবায়িত হতে হবে।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
ফারস ও তাসনিম জানায়, ‘প্রাথমিক আলোচনায় অগ্রগতি এবং লেবাননের দক্ষিণ বৈরুতে জায়নিস্ট শাসনের হামলা কমে যাওয়ার’ পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখানে ‘জায়নিস্ট শাসন’ বলতে ইসরায়েলকে বোঝানো হয়েছে।

