গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে সাহেদুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সাহেদুল পলাতক ছিলেন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী জানান, মাদক কেনার টাকা না দেওয়ায় সাহেদুল তার স্ত্রীকে হত্যা করেন।
গতকাল শ্রীপুর পৌর এলাকা থেকে পুলিশ নাছিমা আক্তারের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করে।
র্যাব জানায়, নাছিমা পোশাকশ্রমিক ছিলেন। তিনি নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার বনপাড়া গ্রামের আবদুল মান্নানের মেয়ে। স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি শ্রীপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
সাহেদুলের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার গির্দাপাড়া গ্রামে।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে হালিম বলেন, সাহেদুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদক কেনার জন্য তিনি নিয়মিত স্ত্রীর কাছে টাকা চাইতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গত ১২ জুলাই পোশাক কারখানা থেকে বেতন পেয়ে বাসায় ফেরেন নাছিমা। ওই রাতে সাহেদুল তার কাছে তিন হাজার টাকা চান। নাছিমা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সাহেদুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে একাধিকবার আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই নাছিমার মৃত্যু হয়।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলে বাসার ভেতরেই ছিল।
হালিম আরও জানান, সাহেদুলকে গ্রেপ্তারের পর শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

