ব্যাটিংয়ে কিছুটা ছন্দহীনতা থাকলেও বল হাতে বারবার বাংলাদেশকে আশার আলো দেখিয়েছেন মারুফা আক্তার। এশিয়া কাপে তিন ম্যাচে সাত উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই পেসারের দিকেই এবার সেমিফাইনালে বড় প্রত্যাশা বাংলাদেশের। ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে মারুফার আশা, টুর্নামেন্টজুড়ে যেভাবে সিনিয়র খেলোয়াড়েরা অবদান রেখেছেন, সেভাবেই তারা আবারও দলকে পথ দেখাবেন।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে বাংলাদেশ-ভারত সেমিফাইনাল। তিন ম্যাচে ব্যাটিং নিয়ে বেশ কিছুটা সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের ম্যাচে সোবহানা মোস্তারি ৩৪ রান করে দলকে লড়াইয়ের মতো সংগ্রহ এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে একাদশে ফিরে শারমিন আক্তার ৩১ বলে ৩৮ রান করে হন দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তার ব্যাটেই প্রথমবারের মতো শতরানের গণ্ডি পেরোয় বাংলাদেশ।
শেষ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে নিগার সুলতানা জোতির দল।
তবে ভারতের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ যে আরও কঠিন, সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয় এসেছিল ২০১৮ সালের ফাইনালে। রোমাঞ্চকর সেই ম্যাচে তিন উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ।
ব্যাটিং যখন দুশ্চিন্তার কারণ, তখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্বস্তির জায়গা হয়ে উঠেছেন মারুফা। তিন ম্যাচে সাত উইকেট নিয়ে এখন পর্যন্ত দলের বোলিং আক্রমণের অন্যতম প্রধান অস্ত্র তিনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে তাঁর গতি, সুইং ও সিম মুভমেন্ট বেশ ভুগিয়েছে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের।
সেমিফাইনালের আগে নিজেদের নিয়ে আশাবাদী মারুফা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রকাশ করা এক ভিডিওতে বুধবার তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে সেমিফাইনালে উঠতে পেরে আমি খুবই খুশি। দোয়া করবেন, যাতে ব্যক্তিগতভাবে এ পর্যন্ত যেভাবে অবদান রেখে আসছি, সেভাবেই দলের জন্য অবদান রাখতে পারি। আমি আরও আশা করি, সিনিয়র খেলোয়াড়েরা আগের মতোই দলকে সমর্থন করে যাবেন। আমাদের সবার জন্য দোয়া করবেন, যাতে আগামীকালের ম্যাচটা ভালোভাবে শেষ করতে পারি।’

