স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যতই সমালোচনা করেন, পার্লামেন্টে বলেন বা সংসদে বলেন আর বাইরে সমালোচনা করেন, আমিসহ বগুড়ার ৭ এমপি বগুড়ার উন্নয়নের ব্যাপারে একবিন্দু ছাড় দিতে রাজি নই।
আজ রোববার দুপুরে বগুড়ায় ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমেরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকারের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে আগামী দেড় বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান—এর জন্য এই কর্মসূচিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কর্মসূচির মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন ৬৪ জেলার ১১ হাজার ২০০ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলার এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’
বগুড়া উন্নয়ন নিয়ে সমালোচকদের উদেশে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বলেন, ‘এখন বগুড়ায় কিছু হলেই মনে হয় সব বগুড়ায় নিয়ে যাচ্ছি। সব নিয়ে আসতেছি না। এটা শহীদ জিয়াউর রহমানের বগুড়া, বেগম খালেদা জিয়ার বগুড়া, তারেক রহমানের বগুড়া। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত উদার মনের মানুষ। তিনি ৬৪ জেলা নিয়ে ভাবেন। কিন্তু আমরা বগুড়া থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছি ৭ জন, আমরা বগুড়া নিয়েই ভাবব।’
‘সড়ক ও জনপদের জোন অফিস ছিল না, রংপুরে দৌড়াতে হতো। এই জোন অফিস বগুড়ায় অনুমোদন হয়েছে, পারলে ঠেকান। রাজশাহীওয়ালারা সারাদিন চিৎকার করেন। আরে ভাই রাজশাহী তো আমাদের বিভাগ, আমাদের গর্ব। কিন্তু দুঃখজনক আপনাদের পকেটের মধ্যে। সেখানে যদি কোনো বড় অফিস হয়, আমাদের জন্য কষ্ট হয়। রাজশাহীর মানুষ কি আমাদের কষ্ট বিবেচনা করবে না,’ প্রশ্ন রাখেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম আরও বলেন, ‘নেসকোর হেড অফিস রাজশাহী। পঞ্চগড় পর্যন্ত এই বিদ্যুৎ সার্ভিস। এই হেড অফিসটি যদি বগুড়ায় আসে, আপনাদের ব্যথা লাগে কেন? হোক না বগুড়ায় হেড অফিস, আপনারা জোনাল অফিস নেন।’
‘সব জেলায় হচ্ছে, কিন্তু বগুড়া নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। এ কারণে মনে হচ্ছে বগুড়ায় সব হচ্ছে। হচ্ছে যেটা বগুড়ায় নেই। কত দুর্ভাগা বগুড়ার মানুষ যে, গত ২০ বছরে একটা ফুটবল স্টেডিয়াম নেই। বগুড়ায় ক্রীড়া ভিলেজ বা স্পোর্টস ভিলেজ নির্মিত হচ্ছে। এটাও নিউজ হবে যে সবার আগে স্পোর্টস ভিলেজ বগুড়ায় গেল,’ যোগ করেন তিনি।
সঠিক কাজ করার কারণেই আলোচনা-সমালোচনা হয় বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

