নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
আজ বুধবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক।
বুধবার ভোরে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরে রাসুয়া জেলায় ভোতে কোশি নদীতে হঠাৎ পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে এ বন্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত তুষার গলে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বন্যার পানির স্রোতে কয়েকটি গ্রাম ভেসে গেছে এবং সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ।
দেশটির দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাতে কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭ জেলায় ৭২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজধানী কাঠমাণ্ডুর উত্তরে রসুয়া জেলার তিমুরে নেপাল পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ফোর্সের ৩২ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে, ২০ মেগাওয়াট ল্যাংটাংখোলা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ৬০ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প কর্মকর্তা বিজয় মোহন ভট্টরাই।
তিনি জানান, বুধবার সকাল থেকে ২৫ প্রকৌশলী, চালক, বাবুর্চি এবং সুড়ঙ্গের ভেতরে কর্মরত ৩৫ শ্রমিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।
‘সকাল থেকে আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি,’ বলেন তিনি।
রসুয়া কাস্টমস অফিসের ১৫ কর্মীও নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন কাস্টমস প্রধান রাজেন্দ্র ঢুঙ্গানা।
এছাড়া নেপাল ব্যাংকস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোতেকোশি নদীর স্রোতের তোড়ে ব্যাংকের ৯টি শাখা অফিস ভেসে গেছে। এতে অন্তত ২৬ কর্মী এখনো নিখোঁজ আছেন।

