ম্যাচের আগের দিনও উইকেটে দেখা গেল বেশ খানিকটা ঘাস। সংবাদ সম্মেলনে আসার আগেই সেই উইকেট দেখে এলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ অবশ্য আগে থেকেই জানতেন উইকেটের ধরণ। দুজনেই একমত, ওয়ানডে ম্যাচের জন্য বেশ আদর্শ মিরপুরের বাইশ গজ। সেখানে ভালো ক্রিকেটের আশা দুই দলেরই।
উপমহাদেশের বাইরের দলগুলোর জন্য সাধারণত মিরপুরে কালো মাটির উইকেট রাখা হয়, যেখানে স্পিনাররা বিস্তার করেন প্রধান্য। তবে এবার হচ্ছে ব্যতিক্রম। পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজের মতই উইকেট থাকছে সবুজাভ, যেখানে পেসাররা শুরুতে সুবিধা পাবেন। স্পিনারদের জন্যও থাকছে রসদ। বাউন্স ভালো থাকায় ব্যাটারদের বড় সংগ্রহের সুযোগও তাই থাকছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে স্পোর্টিং উইকেটে সিরিজ জেতার আত্মবিশ্বাস থেকে কিউইদের বিপক্ষে ছক কষেছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মিরাজ বলতে চাইলেন তেমনটা, ‘উইকেটের সম্পর্কে যেটা দেখলেন যে পাকিস্তান সিরিজে হ্যাঁ আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছি এবং আমরা চেষ্টা করব এই সিরিজটাও ভালো উইকেটে খেলার জন্য। সবই পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে। যদি দেখেন সেকেন্ড ম্যাচে কিন্তু আমরা আর্লি অল আউট হয়ে গেছি কিন্তু উইকেটটা তো ট্রু ছিল। এবং পাকিস্তান ফার্স্ট ম্যাচে ১১৪ রানে অল আউট হয়ে গেছে বাট ট্রু উইকেট ছিল। কাজেই প্লেয়াররা যদি সবাই পারফর্ম করতে পারে উইকেটটা অনেক সময় ম্যানেজ করে খেলতে হয়।’
ল্যাথামেরও মত উইকেট সংস্করণ অনুযায়ী আদর্শ, ‘দেখে তো মনে হচ্ছে সারফেস (উইকেট) বেশ ভালো। যেমনটা বলছিলাম, গত মাসে এখানে পাকিস্তানের বিপক্ষে যে ম্যাচগুলো হয়েছে, সেখান থেকে কিছুটা ধারণা নেওয়া যায় এবং রানও মোটামুটি ভালোই হয়েছে। দল হিসেবে আমরা সবসময় যেকোনো ধরনের উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কথা বলি এবং আগামীকালও তার ব্যতিক্রম হবে না, আর কয়েক দিন পর এখানে ঢাকাতেও (পরের ম্যাচগুলোতে) একই লক্ষ্য থাকবে। তাই এই সুযোগটি নিয়ে আমি সত্যিই আশাবাদী। আমি জানি ছেলেরা মাঠে নামতে এবং নতুন কন্ডিশনের অভিজ্ঞতা নিতে মুখিয়ে আছে।’

