জয় দিয়েই প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করেছে আর্সেনাল। নিজেদের মাঠে সদ্য প্রিমিয়ার লিগে উঠে আসা কভেন্ট্রি সিটিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শুভসূচনা করল মিকেল আর্তেতার দল।
লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি সবশেষ ১৯৩৫ সালে টানা দ্বিতীয়বার লিগ জিতেছিল। এবারও যে তারা সেই পুরোনো ইতিহাস ফেরাতে কতটা মরিয়া, ম্যাচের শুরুতেই তা স্পষ্ট করে দেন কাই হাভার্টজ। ১৫ মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে রিকার্দো কালাফিওরির চমৎকার ক্রসে ঠান্ডামাথার এক ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড।
ক্লাব ব্রুজ থেকে দলে যোগ দেওয়ার পর প্রিমিয়ার লিগে নিজের প্রথম ম্যাচেই দারুণ নজর কাড়েন গ্রিক তারকা ক্রিস্টোস জোলিস। ম্যাচের ২৩ মিনিটে দলের দ্বিতীয় গোলটিতে ছিল তার বড় অবদান। রক্ষণের চাপ সামলে উঠে আসা ডেকলান রাইসের কাছ থেকে বল পান জোলিস। উইং ধরে দ্রুত বক্সে ঢুকে তার বাড়ানো নিচু শট কভেন্ট্রি গোলরক্ষক কার্ল রাশওয়ার্থ পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে, কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা বুকায়ো সাকা তা সহজেই খালি জালে ঠেলে দেন।
দীর্ঘ ২৫ বছর পর শীর্ষ লিগে ফেরা কভেন্ট্রিকে পুরো ম্যাচেই অলরেডদের বলের দখলের সামনে অসহায় লাগছিল। তবে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে হঠাৎ চমক দেখায় তারা। দারুণ এক ওভারহেড কিকে গোল পাওয়ার খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন কভেন্ট্রি ফরোয়ার্ড, তবে কোনোমতে পেছন দিকে দৌড়ে গোল বাঁচান আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রিয়া।
বিরতির পর ফিরে চার মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের সমীকরণ মিলিয়ে ফেলে আর্সেনাল। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নেওয়া কিছুটা অগোছালো শট গোলরক্ষক রাশওয়ার্থকে বিভ্রান্ত করে জালে জড়িয়ে গেলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
ম্যাচের বাকি সময় একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে তটস্থ রাখলেও আর কোনো গোলের দেখা পায়নি আর্তেতার শিষ্যরা। অন্যদিকে, খেলা শেষের ৫ মিনিট আগে কভেন্ট্রির সামনে ব্যবধান কমানোর চমৎকার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু একদম ফাঁকায় থাকা জ্যাক রুডোনির নেওয়া দুর্বল হেডার সোজা গিয়ে জমা হয় ডেভিড রিয়ার গ্লাভসে।

