এসএ গেমসে দুইবার সোনাজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার খারাপ খবর পেয়েছেন। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মাবিয়া নিজেই দ্য ডেইলি স্টারকে এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
গত অক্টোবর ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের আগে মাবিয়ার রক্তের স্যাম্পল নেওয়া হয়েছিলো। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোশিয়েশন থেকে চিঠির মাধ্যেম মাবিয়াকে দুই বছরের নিষিদ্ধের কথা জানানো হয়েছে।
মাবিয়া দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি চিকিৎসার মধ্যে ছিলাম। ছয়-সাত মাস আগে আমার হাঁটুর সমস্যা ছিলো। চিকিৎসকের পরামর্শে আমি ঔষুধ খাচ্ছিলাম, আমি মেডিকেল বিভাগকে জানিয়েছিলাম। গত ১৫ জানুয়ারি বিওএ থেকে আমাকে নোটিস করা হয় যে ড্রাগে এক ধরনের উপাদান আছে যা অনুমোদিত না। কিন্তু আমাকে কোন ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। আমি নিজে গুগল করে জেনেছি যে এই ধরণের ঔষুধে শরীরের পানি কমে যায়।’
বিওএ থেকে চিঠি পেলেও ওয়ার্ল্ড এন্টি ডোপিং এজেন্সির কোন কাগজ পাননি মাবিয়া।
এদিকে মাবিয়ার নিষিদ্ধাদেশ ভারোত্তোলন অ্যাসোশিয়েশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অখুশি না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মাবিয়া এসএ গেমসে সোনাজয়ী, তিনি নিয়মিত আন্তর্জাতিক ইভেন্টে খেলেন। তাকে নিয়মিত ডোপিং টেস্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কোথাও কখনো তার পজেটিভ আসেনি। বাংলাদেশের পরীক্ষার প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে তাদের।
২০১২ সালে জাতীয় দলে আসা মাবিয়া পাঁচটি আন্তর্জাতিক সোনা জিতেছেন। ২০১৬ ও ২০১৯ সালে এসএ গেমসে দুইবার সোনা জিতেছেন। এবার ক্যারিয়ারে খেলেন বড় ধাক্কা।

