আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংবাদ সম্মেলনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার করা রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আদেশে বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন হওয়ায় চলমান অবকাশের পর নিয়মিত বেঞ্চে রিটটির শুনানি হতে পারে।

রিট আবেদনকারী আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের চলমান অবকাশ শেষে একই রিট আবেদন নিয়মিত হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসাইন তারেক রিটটির বিরোধিতা করে বলেন, দুদকের সংবাদ সম্মেলন চ্যালেঞ্জ করে করা রিটটি গ্রহণযোগ্য নয়।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে বার্ষিক অবকাশ শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর আদালতের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

গত রোববার করা রিটে কোনো চলমান অনুসন্ধান বা তদন্ত নিয়ে ভবিষ্যতে দুদককে আর কোনো সংবাদ সম্মেলন না করতে নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, এ ধরনের সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা মর্যাদা ও সুনামের সুরক্ষা এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় স্বীকৃত নীতিমালা লঙ্ঘন করে।

রিট দুদকের উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী জহিরুল ইসলাম বলেন, দুদকের উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্তের পর ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানানো হয়।

তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। দুদকের এসব সংবাদ সম্মেলনের কারণে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

জহিরুল ইসলাম বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানো হয়েছে। ফলে তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।

Related Articles

Latest Posts