ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউড তারকা সালমান খান। অলাভজনক সংস্থা গ্লোবাল শিখসের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ৫০০টি আধা-পাকা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।
আজ শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে বন্যার শুরুতে সালমান খানের দাতব্য প্রতিষ্ঠান বিয়িং হিউম্যান আসামের বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছিল। এবার দ্বিতীয় ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, অভিনেতা রণদীপ হুদা বন্যাকবলিত এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কাজ করছেন এমন কয়েকটি ভিডিও দেখেই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হন সালমান খান। পরে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রণদীপের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজন সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।
আলোচনার সময় রণদীপ হুদা সালমানকে জানান, গ্লোবাল শিখসের প্রায় ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক বন্যাকবলিত এলাকায় কাজ করছেন।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা অমরপ্রীত সিং জানান, বাঁশ ও টিন দিয়ে বন্যা-সহনশীল আধা-পাকা ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার রুপি।
এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে বিয়িং হিউম্যান ও গ্লোবাল শিখস যৌথভাবে ৫০০টি ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। এই পুনর্বাসন কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘আশিয়ানা’।
ইতোমধ্যে বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর একটিতে ২২০টি আধা-পাকা ঘরের নির্মাণ শেষ হয়েছে। ঘরগুলো নির্মাণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
গ্লোবাল শিখসের প্রতিষ্ঠাতা অমরপ্রীত সিং জানান, কয়েক দিন আগে সালমান খান তাদের ফোন করে বলেন, ‘আপনারা চিন্তা করবেন না।’
সংস্থাটি জানিয়েছে, ৫০০ ঘর নির্মাণ শেষ হলে বন্যায় ঘর হারানো শত শত পরিবার নিরাপদ আশ্রয় পাবে এবং নতুন করে জীবন শুরুর সুযোগ পাবে।

