আজ ১৭ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে আমেরিকান অতিপ্রাকৃত ভৌতিক সিনেমা ‘দ্য মমি’। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে।
আগেও মমি নামে হলিউডে কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। সেগুলো ছিল মূলত অ্যাডভেঞ্চারধর্মী। তবে নতুন এই সিনেমাটি আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় একেবারেই ভিন্ন।
এটি একটি আর-রেটিং পাওয়া ভৌতিক সিনেমা, যেখানে অত্যন্ত ভীতিজনক ও নৃশংস দৃশ্য রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো সিনেমা মুক্তির আগে মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমপিএএ) নামের সংস্থা ওই সিনেমার একটি রেটিং দিয়ে থাকে। সেই রেটিং অনুযায়ী নির্ধারণ হয় উল্লেখিত সিনেমাটি কোন বয়সীদের দেখার উপযোগী।
আর বা রেস্ট্রিকটেড রেটিং পাওয়া সিনেমাগুলো ১৭ বছরের কম বয়সী দর্শকদের জন্য উপযোগী নয়।
লি ক্রোনিন পরিচালিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন জ্যাক রেনর, লাইয়া কস্তা, মে ক্যালামাউই, নাটালি গ্রেস, ভেরোনিকা ফ্যালকন প্রমুখ।
দ্য মমি সিনেমায় গল্পটি এক সাংবাদিক বাবা ও তার পরিবারকে কেন্দ্র করে। একসময় তারা সুখী পরিবার ছিল। একদিন তাদের ছোট মেয়েটি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায় না। এই ঘটনাটি পুরো পরিবারকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়।
৮ বছর পর হঠাৎ একদিন সেই মেয়েটিকে মরুভূমির একটি এলাকায় পাওয়া যায়। সে বেঁচে আছে কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তার বয়স বাড়েনি। পরিবার তাকে ফিরে পেয়ে খুশি হলেও, কিছু অদ্ভুত বিষয় তাদের চোখে পড়ে। মেয়েটি বাড়ি ফেরার পর তার আচরণ ঠাণ্ডা ও অচেনা হয়ে যায়। সে অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলতে থাকে। রাতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটনা ঘটে। তার শরীরে ধীরে ধীরে পরিবর্তন শুরু হয়। মনে হতে থাকে, সে পুরোপুরি মানুষ নয়।
গল্প এগোতে থাকলে মেয়েটির শরীর ধীরে ধীরে মমির মতো হয়ে যায়। সে অস্বাভাবিক ক্ষমতা দেখাতে শুরু করে। তার উপস্থিতি ঘরে ভয়ংকর প্রভাব ফেলে।

