সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
এদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছানের ছেলে হিমেল।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে গত রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে৷ আজ মঙ্গলবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে আহত ব্যক্তির সঠিক সংখ্যা তিনি জানাতে পারেননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী মিছিল বের করেছিল। সে সময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসে। দুটি মিছিল কাছাকাছি এলে হঠাৎ দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এ ব্যাপারে জানতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে ঘটনার পর রাতেই তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের বলেছিলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও এই আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম আজ সকালে ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। মিছিল শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আমাদের দলের পাঁচ-ছয়জন আহত হয়েছেন।’
সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষই মামলা দায়ের করেনি জানিয়ে শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

