যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের সঙ্গে তার মায়ের শেষ কথা হয়েছিল গত পহেলা বৈশাখে। সেদিন ফোনে মায়ের কাছে জামিল জানতে চেয়েছিল তিনি পান্তা-ইলিশ খেয়েছেন কিনা।
সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির (ইউএসএফ) ডক্টরাল শিক্ষার্থী জামিল লিমনের দেহের অবশিষ্টাংশ গতকাল শুক্রবার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার সাবেক রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জামিলের মা লুৎফন হক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলের সাথে শেষ কথা হয়েছিল পহেলা বৈশাখে। ও খুব পড়াশোনার চাপে থাকত, তেমন কথা হতো না ‘
তিনি আরও বলেন, ‘সেদিন ফোন দিয়ে শুধু জানতে চাইলো, আমি পান্তা-ইলিশ খেয়েছি কিনা। এখন আর কিছু বলার শক্তি নেই।’
ছেলেকে হারানোর শোকে মা লুৎফন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। একই অবস্থা জামিলের বাবা জহুরুল হকেরও। নিরাপত্তাজনিত কারণে পরিবারটি বর্তমানে তাদের অবস্থান প্রকাশ করতে চাচ্ছে না।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জামিলের পৈতৃক নিবাস জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের মহিষবাতান এলাকায়। তবে বহু বছর আগেই তার পরিবার সেখান থেকে ঢাকায় চলে আসে। জামিলের শৈশব কেটেছে ঢাকার মাওয়া এলাকায়।
জামিলের বাল্যবন্ধু জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জামিল অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছিল।’

