সরকারের সাহায্য চেয়েছে পরিচালক মাতিয়া বাণু শুকুর পরিবার

গুণী পরিচালক ও নাট্যকার মাতিয়া বাণু শুকু। তার নির্মিত বহু নাটক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। নাট্যকার হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছেন। 

‘লাল মোরগের ঝুটি’ সিনেমার প্রযোজক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

তার স্বামী আরেক গুণী নির্মাতা নুরুল আলম আতিক।

বর্তমানে ভালো নেই পরিচালক মাতিয়া বাণু শুকু। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন আরও আগে। কিন্তু ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সেজন্য সরকারের সহযোগিতা চাইছে পরিবার। 

এই বিষয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সাথে কথা বলেন নুরুল আলম আতিক।

নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘আসলে আমরা যারা নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করি তাদের তো কোনো পেনশন নেই। কাজটাই আসল আমাদের কাছে। হঠাৎ করে কেউ ক্যানসারে আক্রান্ত হলে পরিবারের বাকি সদস্যদের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। আমাদের ওপর দিয়েও যাচ্ছে।’

‘বন্ধুদের সহযোগিতা পেয়েছি। কাছের মানুষদের সহযোগিতা পেয়েছি। আমার স্ত্রী মাতিয়া বাণু শুকুর অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আছেন। সকলে আশীর্বাদ করবেন। সে যেন সুস্থ হয়ে যায়’, বলেন তিনি। 

সরকারের সহযোগিতার বিষয়ে নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘আমরা শিল্পী মানুষ। দুজনই নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত। মাঝে শুকুকে চেন্নাই নিয়ে গেছি। অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এই চিকিৎসা অনেক দিন করতে হবে। সেজন্য সরকারের সহযোগিতা চাইছি। সরকার পাশে দাঁড়ালে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। আশা করছি সরকার পাশে দাঁড়াবে।’

আবারও চেন্নাই নিতে হবে কিনা— এ প্রশ্নের জবাবে নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘নিতে হবে। ২৩ এপ্রিল অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া আছে। কিছু কাগজ ঠিক করতে হচ্ছে। তাছাড়া অর্থের বিষয়টি তো আছেই।’

৮ মাস আগে মাতিয়া বাণু শুকুর ক্যানসা ধরা পড়ে। এরপর তাকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেশ কিছুদিন ছিলেন। কেমো দেওয়া হয়েছে এবং থেরাপিও দেওয়া হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে কেমো দিতে হয়েছে। এছাড়া ২১ দিন পর পর থেরাপি দেওয়া হয়েছে।
নুরুল আলম আতিক বলেন, ‘গত সপ্তাহে কেমো দেওয়া হয়েছে। কিছু পরীক্ষা করাতে হবে।’

সবশেষে তিনি বলেন, ‘মানুষের কাছে শুকুর জন্য দোয়া চাই। ভালোবাসা চাই। সবার ভালোবাসায় যেন সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।’

উল্লেখ্য, মাতিয়া বাণু শুকু পরিচালিত আলোচিত ধারাবাহিকগুলো হচ্ছে— গোল্লাছুট, টু লেট, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি।

তিনি ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের মেয়ে।

Related Articles

Latest Posts