প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেরাণীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন।
আজ শনিবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানান।
নিহত ও আহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিহতদের পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুই লাখ করে টাকা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, অনেকে নিখোঁজ শোনা যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ সরানোর পর সবকিছু জানা যাবে।’
কারখানাটির মালিক ও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা জনবহুল এলাকায় যাতে না থাকে, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে। আহতদের চিকিৎসার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।’
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে কদমতলীর ওই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ ছাড়া এ ঘটনায় আহত এক ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় সোয়া এক ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

