আলোচনা শেষ হতেই ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

ওমানে আলোচনা শেষ হতেই ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র এ সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, ‘ইরান তেল থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগায় ও দেশের ভেতরে দমন–পীড়ন আরও জোরদার করে।’

বিবৃতিতে পিগট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বোচ্চ চাপ নীতির আওতায় ইরানি সরকারের অবৈধ তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি কমিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইরানি তেল পরিবহনে জড়িত বলে সন্দেহভাজন ১৪টি জাহাজের সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে। এসব জাহাজের মধ্যে তুরস্ক, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকাবাহী জাহাজও রয়েছে।

এছাড়া ১৫টি প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশগুলোকে ইরানি তেল রপ্তানি বন্ধে করতে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে।

এদিকে শুক্রবার ওমানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্পের বিশেষ শান্তি দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই আলোচনার পরিবেশকে ‘ইতিবাচক’ আখ্যা দেন আরাঘচি।

এর আগে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেন এবং ইরানের উপকূলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেন।

Related Articles

Latest Posts