ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আম আদমি পার্টির (এএপি) কনভেনর অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ ছাড়া, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসস্ট্যান্ডে দলের নেতাদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
#MamataBanerjee and other MPs from her party detained from bus stand at South Avenue. 📸 Special arrangement https://t.co/bFG6NzlhXg
আম আদমি পার্টির কনভেনর অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে লোধি এস্টেটে তার বাসভবনের বাইরে থেকে আটক করা হয়। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগ দিতে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি।
অপরদিকে দিল্লি হাট এলাকায় নির্ধারিত বিক্ষোভের আগে আইসার সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
We have been detained. But it does not matter. To my fellow Gen Z: This is our 1942. Their jails can hold a few of us but not all of us. Wherever any of us is stopped today, we sit down right there and begin. Every corner becomes Jantar Mantar. https://t.co/nblf0tYnzA
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কয়েকটি বামপন্থী সংগঠন শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয়। তবে পুলিশ এ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
AISA president #NehaBora and others detained near Dilli Haat Video: Special Arrangement https://t.co/PDVzpoP8Nn
পুলিশের গাড়িতে আহত বিক্ষোভকারী
বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে নেওয়ার সময় দিল্লিতে এক ব্যক্তি মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতরভাবে রক্তাক্ত হয়েছেন। শনিবার সাফদারজং ফ্লাইওভারের কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য পুলিশের গাড়ি থামাতে অনুরোধ জানান সহ-বিক্ষোভকারীরা। তার মাথার ক্ষত থেকে প্রচুর রক্ত ঝরছিল।
বিক্ষোভ ঘিরে এর আগে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।

