সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জনের ডালপালা মেললেও ভারতীয় দলে যে কোনো অশান্তির আঁচ নেই, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিরাট কোহলি। অধিনায়ক শুভমান গিলের নেতৃত্ব ও ড্রেসিংরুমের প্রাণবন্ত পরিবেশ নিয়ে স্পষ্ট কথা বলেছেন সাবেক এই অধিনায়ক। কোহলির মতে, অধিনায়ক ও সিনিয়রদের মুখে হাসি থাকলে পুরো দলই বেশ স্বস্তিতে থাকে।
রোববার তিরুঅনন্তপুরমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে ভারতের ৮ উইকেটের সহজ জয়ের রূপকার ছিলেন কোহলি নিজে। সফরকারীদের দেওয়া ২৯৬ রানের লক্ষ্য অনায়াসেই টপকে যায় ভারত। দলের জয়ে কোহলি খেলেন অপরাজিত ১৩৯ রানের ইনিংস, যা ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তার ৫৫তম শতক। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে ১১০ রানের ইনিংস উপহার দেন অধিনায়ক গিল নিজে। দুজন মিলে গড়া ১৫১ রানের জুটির সময় পুরোটা পথই মাঠে তাদের বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা যায়।
ম্যাচ শেষে বিসিসিআইয়ের ভিডিওতে গিলের নেতৃত্বের প্রশংসা করে কোহলি বলেন, ‘শুভমান যখন দলে এসেছিল, তখন থেকেই ওকে চিনি। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা সবসময়ই খুব নিবিড় ও আনন্দের। এখন সে দল পরিচালনায়, আর আমি দীর্ঘদিন ওই জায়গায় ছিলাম। এখন আমি দলের সিনিয়র খেলোয়াড়। সিনিয়র বা অধিনায়ক যখন মাঠে হেসেখেলে থাকে, বাকিরাও তখন স্বস্তি পায়। তারা বোঝে চাপ নেওয়ার কিছু নেই।’
মাঠের চাপ সামলানোর টেকনিক নিয়ে কোহলি আরও বলেন, ‘যতই চাপের মুহূর্ত আসুক না কেন, আমরা যদি একটু হাসাহাসি করি, তবে তরুণদের ওপর থেকে সব চাপ উবে যায়। আমরা মাঠে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে শতভাগ পেশাদার, তবে বাইরে একদম হালকা মেজাজে থাকি। এমনকি খেলায় কী হবে তা নিয়ে বাড়তি কথাও বলি না। কারণ অধিনায়ক জানে তাকে কী করতে হবে, আর আমি জানি আমার কাজ কী।’
এই ইনিংসের পথ ধরেই কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কোহলি। শচীনের লেগেছিল ৩৭৭টি ইনিংস, সেখানে কোহলির লাগলো মাত্র ৩০৩টি ইনিংস।

