মক্কা চুক্তি বিশ্বের মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মক্কা চুক্তি তিনটি দেশের ভেতরে হয়েছে। আমরা এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি। কারণ এটা নির্ভর করছে যারা এর সদস্য তাদের অভিপ্রায়ের ওপর।’
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি গত ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ পরিচালিত হলে তা বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
মন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘মক্কা চুক্তির তিন দেশ যদি অভিপ্রায় প্রকাশ করে বাংলাদেশকে এতে যুক্ত করতে তাহলে পরে আমরা নিশ্চয়ই সেটা ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করব।’
‘আমরা নিশ্চয়ই এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখব। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে একটা কথা যে এই চুক্তি যদি বিস্তৃত হয় এবং এটা হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা। এটা আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং এটা নিয়ে অন্যান্যদের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই,’ যোগ করেন তিনি।

