৯৯৯ সেবায় বিলম্বের ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টের রুল

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশি সহায়তা দিতে দেরি, বারবার কল স্থানান্তর ও কার্যকর ‘জিরো এফআইআর’ এর মতো ব্যবস্থা নিশ্চিত না করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রুলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে বিলম্ব, বারবার কল অন্য ইউনিটে স্থানান্তর, কার্যকর জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ও কলদাতার অবস্থান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু ও সচল রাখতে ব্যর্থতা এবং ঘটনাস্থলের সবচেয়ে কাছের পুলিশ সদস্য, টহল দল বা ইউনিট দ্রুত মোতায়েনে ব্যর্থতাকে কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া কার্যকর ‘জিরো এফআইআর’ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, বাস্তবায়ন ও তা কার্যকর রাখতে ব্যর্থতাকেও কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না—রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এসব ব্যর্থতার কারণে নাগরিকদের সময়মতো পুলিশি সুরক্ষা ও আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে—এমন পরিস্থিতিকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, সেটিও জানতে চেয়েছেন আদালত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিচালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রুলের বিবাদী করা হয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট জনস্বার্থে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সায়কা কবির জিতি, রুহুল তালুকদার পরাগ ও সৈয়দা আফরোজা জেরিন।

আবেদনে ৯৯৯-এ ফোন করার পর সাড়া দিতে বিলম্ব ও কলারদের বারবার অন্য ইউনিট বা স্থানে যোগাযোগ করতে পাঠানোর অভিযোগ করা হয়।

সায়কা কবির জিতি আদালতে নিজেই রিটের পক্ষে শুনানি করেন।

Related Articles

Latest Posts