টানা বৃষ্টির মধ্যে টেকনাফে প্রায় ২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে গুরুতর আহত হওয়া বন্য হাতিটি মারা গেছে। আজ রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাতিটির মৃত্যু হয়।
টেকনাফ ও উখিয়ার সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নইটংপাড়ার শিয়ালিয়াঘোনা পাহাড়ে ঘটনাটি ঘটে।
আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী হাতিটি পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নামার সময় পা পিছলে নিচে গড়িয়ে পড়ে। পড়ার সময় পথে একাধিক গাছে আঘাত লাগে। এতে হাতিটির পেছনের দুই পা ভেঙে যায় এবং পেটে গুরুতর আঘাত লাগে।
তিনি জানান, ওই পাহাড়ে অন্তত ২৩টি এশীয় হাতির আবাস রয়েছে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট উঁচু হাতিটি গুরুতর আহত হওয়ায় আর নড়াচড়া করতে পারছিল না।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের টেকনাফ রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে টেকনাফ উপজেলা প্রাণিসম্পদ ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের চিকিৎসক দল হাতিটির চিকিৎসা শুরু করেন। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে রোববার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাতিটি মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে হাতিটির ময়নাতদন্ত করা হবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আনিক চৌধুরী বলেন, পাহাড় থেকে পড়ে গুরুতর আহত হওয়া হাতিটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ভেটেরিনারি দল প্রস্তুতি নিচ্ছে।

