সাভারে এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, মামলায় ‘নিষিদ্ধগোষ্ঠীর’ বিরুদ্ধে অভিযোগ

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে বিস্ফোরণের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে গতরাতে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন ঢাকা জেলা উত্তর এনসিপির সদস্যসচিব মো. সালামত উল্লাহ রনি। মামলার এজাহারে এই হামলার পেছনে নিষিদ্ধ কোনো গোষ্ঠীর সংঘবদ্ধ ইন্ধন বা সংশ্লিষ্টতা থাকার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার এই মামলার এজাহারের একটি অনুলিপি (কপি) হাতে পেয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, পূর্বঘোষিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ উপলক্ষে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে এনসিপির সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সমাবেশস্থলে পৌঁছান।

এতে আরও বলা হয়, কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে ওঠার কয়েক মিনিট আগেই সমাবেশস্থলের বিদ্যুৎ চলে যায়। জেনারেটরের মাধ্যমে কয়েকটি বাতি জ্বালানো হলেও আলো ছিল খুবই কম। এ অবস্থায় নেতাদের বক্তব্য চলাকালে রাত ৯টা ৪২ মিনিটে মঞ্চের ১০ থেকে ১৫ ফুট সামনে হঠাৎ একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।

মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এনসিপির সমাবেশ নস্যাৎ করতে এবং নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এর পেছনে কোনো নিষিদ্ধগোষ্ঠীর সংঘবদ্ধ ইন্ধন বা সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

মামলার বাদী মো. সালামত উল্লাহ রনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটাই আমরা চাই। আমরা প্রত্যাশা করি, পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে।’

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নূর মোহাম্মদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘বিস্ফোরণের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে অভিযান চলছে।’

Related Articles

Latest Posts