নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসকে ছাড়া খেলতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ল বাংলাদেশ। কয়েকজন ব্যাটার থিতু হলেও টানতে পারেননি ইনিংস। বিশেষ করে বাংলাদেশের ইনিংসে বারবার হানা দেন লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দলকে শেষ দিকে নেমে কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি পাইয়ে দেন শেখ মেহেদী।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৩১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে ২২ বলে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন শেখ মেহেদী। ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে অজিদের সেরা বোলার জাম্পা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েও নামে ধস। তৃতীয় ওভারে দলের ২৬ রানে স্পেনসার জনসনের বলে সহজ ক্যাচ দিয়ে থামেন তানজিদ হাসান তামিম। ৯ বলে ১০ রান করেন বাংলাদেশের ওপেনার।
আরেক ওপেনার সাইফ হাসান আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন। ৩ চারে ১৪ বলে ২০ করে তিনি শিকার ম্যাট রেনশর। রেনশকে ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করা ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় (৫ বলে ৮) অ্যাডাম জাম্পার গুগলি পড়তে পারেননি। লিটন দাসের চোটে দলে আসা সৌম্য সরকার ভুগতে থাকেন শুরু থেকেই। তবে বল ও রানের সমতা রেখে কিছুটা থিতু হয়েছিলেন তিনি। জাম্পাকে জায়গা বানিয়ে টেনে মারতে গিয়ে ১৮ বলে ১৭ রান করে ক্যাচ দেন ডিপ কাভারে।
পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটও হাসেনি। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জুয়েল ডেভিসের বলে ১২ বলে ১০ করে দেন ক্যাচ। টি-টোয়েন্টিতে লোয়ার অর্ডারের ভরসা শামীম পাটোয়ারী এদিন ছিলেন ব্যর্থ, অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে ছয়ে নামিয়ে ফল পায়নি বাংলাদেশ। তিনি থামেন ১০ রান করে। ৮৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে এলোমেলো হয়ে যায় স্বাগতিক দল।
রিশাদ হোসেন ৮ বল খুইয়ে কিছু (৩) করতে পারেননি। শরিফুল ইসলাম ক্যাচ দেন এক ছক্কা মেরে। শেষ দিকে রান বাড়ান শেখ মেহেদী। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাউন্ডারি বের করেন তিনি।
মোস্তাফিজুর রহমানকে এক পাশে রেখে শেষ উইকেটে ১২ বলে ২৩ রান যোগ করেন মেহেদী।

