বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য সরকার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা নিয়েছে। সরকার চায় ২০৩০ সালের আগেই এই উড়োজাহাজের সরবরাহ শুরু হোক। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এ কথা জানিয়েছেন।
আজ ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। পরে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সইয়ের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। তবে সরবরাহের সময়সীমা এগিয়ে আনাা জরুরি।
বৈঠকে মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। এর অংশ হিসেবে এখানে রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল কারখানা স্থাপনে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশে দক্ষ জনবল তৈরিতে বিমানের সঙ্গে লুফথানসা কাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ থেকে পাঠানো কার্গোর ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ সতর্কতা রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে এটি বহাল আছে। এই সতর্কতা তুলে নিতে বৈঠকে জার্মানির আলাদা সহযোগিতা চেয়েছেন মন্ত্রী।
তিনি জানান, নিরাপত্তার বিষয়ে ওঠা পর্যবেক্ষণগুলো সমাধানে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ, বিমানের উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এভিয়েশন ও পর্যটন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে উভয় পক্ষই বৈঠকে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

