আগামী বছর অনুষ্ঠেয় আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে তুলনামূলক কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। সহ-আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকার পাশাপাশি ‘বি’ গ্রুপে তাদের সঙ্গী ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপের বাকি দলটি আসবে বাছাইপর্ব বা সুপার সিরিজের বাধা পেরিয়ে।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপিং চূড়ান্ত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।
একই গ্রুপে আছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। ‘এ’ গ্রুপে তাদের সঙ্গে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। এছাড়া, বাছাইপর্ব বা সুপার সিরিজের লড়াই টপকে আসবে আরেকটি দল।
মোট ১২টি দলকে নিয়ে আয়োজিত হবে আগামী বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব। ছয়টি করে দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ১৪তম আসরের আয়োজক হিসেবে রয়েছে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও নামিবিয়া আইসিসির পূর্ণ সদস্য না হওয়ায় তাদেরকে জায়গা করে নিতে হবে বাছাইপর্ব খেলে।
স্বাগতিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে এবং র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে অন্য শীর্ষ আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। তারা হলো— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান।
আগামী আসরে বিশ্বকাপের দল সংখ্যা ১০টি থেকে বাড়িয়ে ১৪টি করা হলেও সব দলের জন্য মূল পর্বে (গ্রুপ পর্ব) ওঠার পথটা এক নয়।
বিশ্বকাপের আগে ১০টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বাছাইপর্ব। সেখানে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি সরাসরি জায়গা করে নেবে গ্রুপ পর্বে। আর বাকি দলটির ভাগ্য নির্ধারিত হবে নতুন কাঠামোর ‘সুপার সিরিজ’ থেকে, যা হবে গ্রুপ পর্বের আগে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাছাইপর্বে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা তিনটি দল নিয়ে আয়োজিত হবে ‘সুপার সিরিজ’। সেখানে শীর্ষস্থান পাওয়ার মাধ্যমে গ্রুপ পর্বের শেষ টিকিটটি নিশ্চিত করবে একটি দল।
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল খেলবে পাঁচটি করে ম্যাচ। দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে মোট ছয়টি দল এবং উভয় গ্রুপ মিলিয়ে পয়েন্ট তালিকার পরবর্তী সেরা দলটি জায়গা পাবে ‘সুপার সেভেন’ পর্বে। সেখান থেকে শীর্ষ চারটি দল খেলবে সেমিফাইনালে। সবশেষে মাঠে গড়াবে ফাইনাল।

