সারাদেশে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহায়তা চেয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, ‘আমরা ডিসিদের কাছে একটি বিষয় অনুরোধ করেছি, আগামী দিনে তারা যেন বাজারে তদারকি বাড়ান এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে এই কাজগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে পারে সেসব বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।’
আজ সোমবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদক পর্যায় ও খুচরা দামের মধ্যে পার্থক্যটা বেশ উল্লেখযোগ্য।
গত ৫০–৫৫ বছরে বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমবারের মতো আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি এআইভিত্তিক মডেলের আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি মডেল তৈরি করছি, যার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বাজার পর্যবেক্ষণ করতে পারব।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পণ্যের জন্য বাংলাদেশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল, সেগুলোর জন্য কৌশলগত মজুত গড়ে তুলতে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা নেই। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যাতে কয়েকজন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে থাকতে না হয়।’

