ভবিষ্যতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উৎসাহিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
তিনি আরও জানান, এ ধরনের যানবাহনকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গণমাধ্যমকর্মীরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, সরকার যেখানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে প্রায় ২০ লাখ অটোরিকশা চার্জ দেওয়া হয়, যেখান থেকে সরকার রাজস্ব পায় না বললেই চলে। অধিকাংশ রিকশা গ্যারেজে নেই কোনো মিটার। এ ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে জাহেদ বলেন, ‘আমাদের যে সংকটটা এখন তৈরি হয়েছে, আমাদের কিন্তু আস্তে আস্তে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের দিকে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রাইভেটকার কেনা (এফোর্ট করা) তো সবার জন্য সম্ভব না। যে ধরনের যানবাহন আমরা দেখি, অটোরিকশা…এগুলো আসলে উৎসাহিত (এনকারেজ) করতে হবে।’
ভবিষ্যৎ ওই দিকেই যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এগুলো মেকানিক্যালি যথেষ্ট সেফ না। এগুলোর মধ্যে নানা ঝামেলা আছে এবং প্রচুর দুর্ঘটনা ঘটে।’
‘এই মুহূর্তে যেহেতু আমাদের জ্বালানি সংকট আছে, এই যানবাহনগুলো জনগণকে ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।
জাহেদ আরও বলেন, ‘চার্জের ব্যাপারে আমি আপনার সঙ্গে একমত যে, এখানে প্রচুর টাকা অপচয় হয়। কিন্তু চার্জের ক্ষেত্রে যতদূর আমি বুঝি, এটা আমি আমার সেন্স থেকে বলছি, আমাদের পিক আওয়ারে সাধারণত এরা চার্জ দেন না। এই চার্জগুলো হয় সম্ভবত রাতের দিকে। ফলে ওই সময় বিদ্যুতের চাহিদা খানিকটা কম থাকে এবং এতে হয়তো প্রেশার হয় না। তারপরও কোনো রকম মিটার ছাড়া, কোনো রকম কোনো খরচ করা ছাড়া চার্জ দিচ্ছেন—এটা না।’
‘এগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। আমরা একটা নীতিমালা করব, যেখানে স্ট্যান্ডার্ড কেমন থাকবে, কী কী ক্রাইটেরিয়া থাকবে, সেফটির বিষয় এবং লাইসেন্সের বিষয় থাকবে। তখন আশা করি সব কিছু একটা স্ট্রাকচারে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

