বিমানকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার নতুন প্রস্তাব এয়ারবাসের

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এয়ারবাস।

আজ রোববার বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মার্কিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সইয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন প্রস্তাব দিলো এয়ারবাস।

বিমান মহাব্যবস্থাপক বলেন, ‘এয়ারবাস সম্প্রতি উড়োজাহাজ বিক্রির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। বিমানের সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রস্তাবটি মূল্যায়ন করছে।’

তবে বোয়িংয়ের প্রস্তাবের বিস্তারিত তিনি জানাতে পারেননি।

বিমানের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, এয়ারবাস আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানের টেকনো-ফাইন্যান্স কমিটির কাছে এ প্রস্তাব জমা দেয়।

প্রস্তাবে ৪টি ‘এ৩৫০-৯০০’ ওয়াইডবডি ও ৬টি ‘এ৩২১নিও’ ন্যারোবডি উড়োজাহাজ সরবরাহের কথা বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ এশিয়ায় দায়িত্বরত এয়ারবাসের এক মুখপাত্র দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে কি চলছে না, সে বিষয়ে আমরা মন্তব্য করি না।’

গত ৩০ এপ্রিল বিমান আনুষ্ঠানিকভাবে বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করে। যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ঐতিহাসিক এ চুক্তির আওতায় বিমান ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ও ৪টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ উড়োজাহাজ কিনবে।

বোয়িং ও এয়ারবাস কোম্পানি দুটি উড়োজাহাজ বিক্রির জন্য বিমানের কাছে বেশ কয়েক দফায় প্রস্তাব জমা দিয়েছে।

বিমানের বহরে জায়গা করে নিতে গত প্রায় ৪ বছর ধরে এয়ারবাস জোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিমানের বর্তমান বহরে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজই বেশি। বহরের ১৯টি উড়োজাহাজের মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের। বাকি পাঁচটি উড়োজাহাজ ড্যাশ-৮, যা কানাডার ডি হ্যাভিল্যান্ডের তৈরি।

বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তিটির পেছনে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং ট্রাম্প সরকার আরোপিত নতুন শুল্ক ছাড়ের সুবিধা নিশ্চিত করা।

Related Articles

Latest Posts