নেপাল দিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক আরোহীর এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড হয়েছে গতকাল বুধবার।
নেপাল এক্সপেডিশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের বরাতে আজ বৃহস্পতিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা জানান, বুধবার রেকর্ড ২৭৪ জন পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করেছেন। পর্বতের দক্ষিণ দিক অর্থাৎ নেপাল অংশ দিয়ে এর আগে একদিনে এত আরোহী চূড়ায় পৌঁছাননি।
এর আগে ২০১৯ সালের ২২ মে ২২৩ জন আরোহী এই পথে এভারেস্টের চূড়ায় উঠে রেকর্ড গড়েছিলেন।
যদিও তিব্বত অংশ দিয়েও এভারেস্টের চূড়ায় ওঠা যায়। ২০১৯ সালেও এ অংশ দিয়ে এভারেস্ট জয় করা যেত।
কিন্তু, চীন এ বছর তিব্বত দিয়ে অর্থাৎ এভারেস্টের উত্তর দিক দিয়ে আরোহণের অনুমতি দেয়নি।
নেপাল এক্সপেডিশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঋষি ভান্ডারী সিএনএনকে বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এত সংখ্যক আরোহী ২৯ হাজার ২৯ ফুট উচ্চতায় এভারেস্টের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে আরোহণ করেছেন। কয়েদিনের মধ্যে তীব্র বাতাসের পূর্বাভাস রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এভারেস্টে অতিরিক্ত যাতায়াত সাম্প্রতিক বছরগুলতে একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৯ সালে পর্বতারোহী নির্মল পুরজার তোলা একটি ছবিতে চূড়ায় পৌঁছানোর অপেক্ষায় আরোহীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
ওই আরোহীর বরাতে সিএনএন জানায়, ওই বছর চূড়ায় ওঠার লাইনে ‘ডেথ জোন’ হিসেবে পরিচিত এলাকায় প্রায় ৩২০ জন আরোহী আটকে ছিলেন।
পর্বতারোহীদের জন্য পৃথিবীর সর্বোচ্চ এই পর্বতশৃঙ্গে ওঠার উপযুক্ত সময় বসন্তকাল, যা সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়। এ সময়ে তীব্র ঠান্ডা বাতাস কমে আসে। এর ফলে আরোহীরা চূড়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুকূল পরিবেশ পান।
এ বছর বসন্তের পর্বতারোহণের মৌসুম শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়। চূড়ায় যাওয়ার পথে বরফ জমে পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েকশ আরোহী অপেক্ষায় ছিলেন।
গত ১৩ মে পথটি উন্মুক্ত করা হয়। এ কারণেই পর্বতে আরোহীদের ভিড় বাড়ে।
নেপাল সরকার এ বছর এভারেস্টে আরোহণের জন্য প্রায় ৫০০টি অনুমতিপত্র ইস্যু করেছে।

