নিজের জায়গা শক্ত করতে পেরে দারুণ খুশি রামোস

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতিতে পর্তুগালের আক্রমণভাগে নিজের জায়গাটা আরও শক্ত করে নেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন গনসালো রামোস। আর সেই সুযোগটা পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। নরওয়ের বিপক্ষে জয়সূচক গোলের পর ডেনমার্কের বিপক্ষে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্টে বড় অবদান রাখেন মিলানের এই ফরোয়ার্ড।

ম্যাচের ১২তম মিনিটে রামোসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসার পর সেই বল থেকেই গোল করেন জোয়াও কানসেলো। ২৫ মিনিটে অবশ্য নিজের নামেই গোল তুলে নেন রামোস। মাঝমাঠ থেকে তার দারুণ ব্যাকহিলেই পাল্টা আক্রমণের সূচনা হয়। পরে ব্রুনো ফার্নান্দেসের কাছ থেকে বল পেয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান তিনি।

ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট রামোস। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি, ‘গোল করা, অবদান রাখা এবং অ্যাসিস্ট করা অবশ্যই ভালো লাগে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জয়।’

তবে নিজের জায়গা নিয়ে লড়াইয়ের বিষয়টিও তার কথায় স্পষ্ট। পর্তুগালের আক্রমণভাগে রোনালদোসহ একাধিক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকায় একাদশে জায়গা ধরে রাখার প্রতিযোগিতা যে কঠিন, সেটি জানেন রামোস। তাই নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে পেরে খুশি তিনি।

‘আমাদের সবারই অনেক গুণ আছে এবং কোচের বেছে নেওয়ার মতো অনেক বিকল্প রয়েছে। তবে অবশ্যই, দলে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে পেরে আমি খুশি,’ বলেন রামোস।

জর্জ জেসুসের অধীনে পর্তুগালের খেলার ধরনেও পরিবর্তন দেখছেন রামোস, ‘নতুন কোচ আমাদের অনেক সাহায্য করছেন এবং এখন আমরা খেলা সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাচ্ছি। রক্ষণ কিংবা আক্রমণ, প্রতিটি সতীর্থ কোথায় অবস্থান করবে, আমরা তা পরিষ্কারভাবে জানি। আজকের ম্যাচে যেমনটা দেখা গেছে, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতেও তেমনই ছিল।’

নতুন এই ব্যবস্থায় নিজের ভূমিকা নিয়েও স্বচ্ছন্দ রামোস। বিশেষ করে প্রতিপক্ষের মাঝমাঠে চাপ দিয়ে বল পুনরুদ্ধার করে দ্রুত আক্রমণে যাওয়ার কৌশলটি তার খেলার ধরনকে আরও কার্যকর করছে বলে মনে করেন তিনি, ‘আমি এভাবে খেলতে খুব পছন্দ করি। এটা আমার খেলার ধরনকে পুরোপুরি মানায়। আমরা বিপজ্জনক জায়গায় অনেক বল পুনরুদ্ধার করেছি। প্রতিপক্ষের মাঝমাঠ থেকে বল ফিরে পাওয়া মানেই গোল করার এবং বিপদ তৈরি করার আরও কাছে চলে যাওয়া।’

রোনালদো থাকাকালীন সময়ে জাতীয় দলে খুব বেশি সুযোগ পাননি রামোস। তবে এরমধ্যেই পর্তুগালের জার্সিতে তার গোলসংখ্যা ১৩, প্রতি ৯৪ মিনিটে গড়ে একটি করে গোল করেছেন তিনি।

 

Related Articles

Latest Posts