কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: ‘যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ ফেরাতে কাজ করছে সরকার’

ভারতের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ যত দ্রুত সম্ভব ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে ডেপুটি হাইকমিশন।

আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, ‘কলকাতায় আমাদের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দ্রুত মরদেহ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে মিশন।’

তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডে নিহত নয়জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মিশনের কর্মকর্তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরানোর খরচ সরকার বহন করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘নিহতরা শ্রমিক ছিলেন না। তাই এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা হয়তো খুব বেশি থাকবে না।’

তবে পরিবারের সদস্যরা যদি মরদেহ দেশে ফেরানোর খরচ বহন করতে না পারেন, তাহলে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে জানান তিনি।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত পৌনে ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনের আবাসিক হোটেলে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট, পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের কর্মীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে, আগুনে মৃত নয়জনের মধ্যে আটজনই বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন।

কলকাতার একটি স্থানীয় জনকল্যাণ সমিতির সদস্য মহিশুরও একই তথ্য দিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচ বাংলাদেশির পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন—কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), দুই বছরের সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত ও শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪)। এ ছাড়া ঢাকার সাভারের ৩৭ বছর বয়সী আহম্মেদ বাবুও এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছে।

Related Articles

Latest Posts