আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
তার মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানে অবহেলা, ত্রুটি বা অপরাধের অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত; পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে শুক্রবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সবাই গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে, যা মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
শফিকুর রহমান বলেন, তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, সেই হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এতে শেষ পর্যন্ত জনগণেরই ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, আদ-দ্বীন একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। সেখানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। লাইসেন্স বাতিলের ফলে এসব শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।
শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকারের প্রতি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, কারও দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।

